Tour 2020_July
♣️ এমন কোথাও যেতে চাচ্ছিলাম যেখানে গেলে একটা ছোট ট্যুর ও হবে আবার খুব ভালো খাওয়া দাওয়াও করা যাবে! আবার জায়গা টা যদি হয় ঢাকার কাছেই তাহলে বেশ হয়।
"মাটির ঘর" রেস্টুরেন্টের কথা মনে পড়লো। এটি গাজীপুরের উলুখোলা পাঞ্জোরা তে অবস্তিত। তবে যাওয়ার জন্য কুড়িল বিশ্ব রোড দিয়ে কাঞ্চন ব্রিজ হয়ে গেলে খুব তাড়াতাড়ি চলে আসা যায়।
জায়গাটা শুধু খাওয়া দাওয়ার জন্য নয় বরং এখানকার পরিবেশও আনন্দ দিবে। যারা ছোট্ট ট্যুর এবং খাওয়া দাওয়া দুটোই উপভোগ করতে চান তারা এখানে চলে আসতে পারেন। খাবার কেমন লাগবে সেটা যার যার ব্যপার কিন্তু নিরিবিলি এই পরিবেশ সবার মন ছুঁয়ে যাবে, আর রেস্টুরেন্ট টা এমন ভাবেই সাজানো হয়েছে যে খারাপ লাগার সুযোগই আসবে না।
এটি রেস্তোরাঁ, একেবারে পরিবেশবান্ধব। এখানে বসার ব্যবস্থা কাঠের গুঁড়ির ওপর। টেবিলগুলো বানানো মোটা গাছ লম্বালম্বি চিরে। টেবিলে রাখা আছে মাটির জগভর্তি পানি আর মাটির গ্লাস। ঘরে যেন পর্যাপ্ত আলো আসে সে আয়োজন করা হয়েছে সযত্নে। মুহূর্তের মধ্যেই মনে হবে আসলেই কি কোন রেস্টুরেন্টে এলাম নাকি গ্রামের কোন এক মাটির ঘর!! আর এখানে পাওয়া যাবে সব দেশীয় খাবার। বিভিন্ন রকমের ভর্তা, দেশী মুরগি, মাছ, বিখ্যাত পঞ্চবটী ডাল, বিভিন্ন শরবত, মিষ্টান্ন সহ আরো নানান কিছু।
খাওয়া দাওয়ার পর অথবা আগে এখানে একটু একদিকে থাকা খোলা জায়গায় ঘুরতে পারেন, কিংবা দোলনায় দুলতে পারেন। জিরিয়ে নিতে পারেন গাছতলায় রাখা গাছের গুঁড়িতে বসে। সারা দিন কাটিয়ে ফেরার সময় সঙ্গী হয় সুন্দর কিছু স্মৃতি।
♣️ ইউটিউব ভিডিওতে ভ্রমণের বিস্তারিত দেখতে -
♣️ যেভাবে গেলামঃ
কুড়িল বিশ্ব রোড থেকে BRTC বাসে ৩০০ ফিট দিয়ে কাঞ্চন ব্রিজ নামতে হবে। এরপর হাতের বাঁয়ে মোড় নিয়ে অটোতে করে আমাদের ছুটে চলা। এরপর সোজা ১৫-২০ মিনিট পথ পাড়ি দিয়ে পৌঁছে গেলাম গন্তব্যে। গাছগাছালিঘেরা প্রকৃতি যেন আমাদের অপেক্ষায় ছিল।
♣️ ***রেটিং:-
পরিবেশ - ৮/১০
সার্ভিস - ৯/১০
খাবার - ৮/১০
♣️ আমরা যা যা খেলাম
বিরই চালের ভাত - ৪০ টাকা,
বাঁশের চুঙিতে দেশি মুরগি ভুনা - ৩৫০ টাকা
পঞ্চবটী ডাল - ৪০ টাকা,
সালাদ - ৫০ টাকা
(খাবারের স্বাদ সবার সমান নয়, আমাদের কাছে যেটা ভালো লাগছে সেটা অন্য কারোর নাও লাগতে পারে :) )
♣️ মাটির ঘর এর একটা Seperate Fan & Hater base আছে। 😂😂 তাই ভিডিওটা অনেকের কাছেই পেইড লাগবে ।। তবে খাওয়া দাওয়ার ব্যপারটা সবার কাছে একরকম না। আমার কাছে ব্যক্তিগত ভাবে তাদের সব কিছুই ভালো লাগে, শুধু খাবারের এই অতিরিক্ত দামটা একটু কমালে ভালো হত । ❤️
আমি বাজেট ট্রাভেলার, তবে একটা দিন একটু আয়েশ করে, রিল্যাক্স করে এখানে এসে খাওয়া দাওয়া করা টা আহামরি কিছু না, আপনারা ট্রাই করে দেখতে পারেন যারা এখনো এখানে আসেন নি <3
বিঃ দ্রঃ যেখানেই যান সেখানকার পরিবেশ রক্ষার দায়িত্ব আমাদেরই ।
Writer: Ar Rafi Hassan
মাটির ঘর,উলুখোলা, গাজীপুর
♣️ এমন কোথাও যেতে চাচ্ছিলাম যেখানে গেলে একটা ছোট ট্যুর ও হবে আবার খুব ভালো খাওয়া দাওয়াও করা যাবে! আবার জায়গা টা যদি হয় ঢাকার কাছেই তাহলে বেশ হয়।
"মাটির ঘর" রেস্টুরেন্টের কথা মনে পড়লো। এটি গাজীপুরের উলুখোলা পাঞ্জোরা তে অবস্তিত। তবে যাওয়ার জন্য কুড়িল বিশ্ব রোড দিয়ে কাঞ্চন ব্রিজ হয়ে গেলে খুব তাড়াতাড়ি চলে আসা যায়।
জায়গাটা শুধু খাওয়া দাওয়ার জন্য নয় বরং এখানকার পরিবেশও আনন্দ দিবে। যারা ছোট্ট ট্যুর এবং খাওয়া দাওয়া দুটোই উপভোগ করতে চান তারা এখানে চলে আসতে পারেন। খাবার কেমন লাগবে সেটা যার যার ব্যপার কিন্তু নিরিবিলি এই পরিবেশ সবার মন ছুঁয়ে যাবে, আর রেস্টুরেন্ট টা এমন ভাবেই সাজানো হয়েছে যে খারাপ লাগার সুযোগই আসবে না।
এটি রেস্তোরাঁ, একেবারে পরিবেশবান্ধব। এখানে বসার ব্যবস্থা কাঠের গুঁড়ির ওপর। টেবিলগুলো বানানো মোটা গাছ লম্বালম্বি চিরে। টেবিলে রাখা আছে মাটির জগভর্তি পানি আর মাটির গ্লাস। ঘরে যেন পর্যাপ্ত আলো আসে সে আয়োজন করা হয়েছে সযত্নে। মুহূর্তের মধ্যেই মনে হবে আসলেই কি কোন রেস্টুরেন্টে এলাম নাকি গ্রামের কোন এক মাটির ঘর!! আর এখানে পাওয়া যাবে সব দেশীয় খাবার। বিভিন্ন রকমের ভর্তা, দেশী মুরগি, মাছ, বিখ্যাত পঞ্চবটী ডাল, বিভিন্ন শরবত, মিষ্টান্ন সহ আরো নানান কিছু।
খাওয়া দাওয়ার পর অথবা আগে এখানে একটু একদিকে থাকা খোলা জায়গায় ঘুরতে পারেন, কিংবা দোলনায় দুলতে পারেন। জিরিয়ে নিতে পারেন গাছতলায় রাখা গাছের গুঁড়িতে বসে। সারা দিন কাটিয়ে ফেরার সময় সঙ্গী হয় সুন্দর কিছু স্মৃতি।
♣️ যেভাবে গেলামঃ
কুড়িল বিশ্ব রোড থেকে BRTC বাসে ৩০০ ফিট দিয়ে কাঞ্চন ব্রিজ নামতে হবে। এরপর হাতের বাঁয়ে মোড় নিয়ে অটোতে করে আমাদের ছুটে চলা। এরপর সোজা ১৫-২০ মিনিট পথ পাড়ি দিয়ে পৌঁছে গেলাম গন্তব্যে। গাছগাছালিঘেরা প্রকৃতি যেন আমাদের অপেক্ষায় ছিল।
♣️ ***রেটিং:-
পরিবেশ - ৮/১০
সার্ভিস - ৯/১০
খাবার - ৮/১০
♣️ আমরা যা যা খেলাম
বিরই চালের ভাত - ৪০ টাকা,
বাঁশের চুঙিতে দেশি মুরগি ভুনা - ৩৫০ টাকা
পঞ্চবটী ডাল - ৪০ টাকা,
সালাদ - ৫০ টাকা
(খাবারের স্বাদ সবার সমান নয়, আমাদের কাছে যেটা ভালো লাগছে সেটা অন্য কারোর নাও লাগতে পারে :) )
♣️ মাটির ঘর এর একটা Seperate Fan & Hater base আছে। 😂😂 তাই ভিডিওটা অনেকের কাছেই পেইড লাগবে ।। তবে খাওয়া দাওয়ার ব্যপারটা সবার কাছে একরকম না। আমার কাছে ব্যক্তিগত ভাবে তাদের সব কিছুই ভালো লাগে, শুধু খাবারের এই অতিরিক্ত দামটা একটু কমালে ভালো হত । ❤️
আমি বাজেট ট্রাভেলার, তবে একটা দিন একটু আয়েশ করে, রিল্যাক্স করে এখানে এসে খাওয়া দাওয়া করা টা আহামরি কিছু না, আপনারা ট্রাই করে দেখতে পারেন যারা এখনো এখানে আসেন নি <3
বিঃ দ্রঃ যেখানেই যান সেখানকার পরিবেশ রক্ষার দায়িত্ব আমাদেরই ।
Writer: Ar Rafi Hassan







0 Comments