লাদাখ বাইক ট্রিপ!
লাদাখ এ আমরা বাই এয়ার এ গিয়েছি! এয়ারপোর্ট টা ইন্ডিয়ান আর্মির, তাই প্রথমেই বলে দিলাম, এয়ারপোর্ট এ ছবি তোলা নিষেধ। আর একটা খুব ইম্প্রোটেন্ট ব্যপার। লাদাক এয়ারপোর্ট এ ব্যাগ চেইক ইন এ দেয়ার পরেও, ব্যাগেজ আবার সিলেক্ট করে দেয়া আসতে হয়, না হলে ব্যাগ প্লেন এ উঠবে না।
এয়ারপোর্ট এ নামার পরেই অ্যানাউসমেন্ট হতে থাকবে, যে আপনি সি লেভেল থেকে ১০,০০০ফিট উপরে আছেন। তাই শরীরে অক্সিজেন এর অভাব হয়।
-
দিনের বেলা ঘুমানো যাবে না
- বেশী করে পানি খেতে হবে, পানি শরীরে অক্সিজেন এর ঘাটতি পূরণ করে।
- সকাল ও রাতে ডায়ামক্স ওষুধ খেতে হবে। ফার্মেসি তে বললেই হবে।
- যদি নামার পরেই কারো, মাথা ঘুরায় ও বমি হয় তাহলে সাথে সাথে হাসপাতালে যেতে হবে। যে কোন টেক্সি কে বল্লে নিয়ে যাবে। হাস্পাতে খরচ নাই। ৫রুপি নিবে। ভয়ের কিছু নাই। ২ ঘন্টা পর চাংগা একদম।
এই বার লাদাক এর বাইক এর ট্রিপ এর ডিটেইলস।
- লাদাক এ ঘুরতে পারমিট লাগে, যেখান থেকে বাইক নিবেন, ওদের বললেই করে দিবে। একটা মেইন কপি ও ৪/৫টা ফটোকপি অরা করে দিবে। খরচ যত গুলা জায়গা জাবেন তার উপর। ৭০০-১০০০রুপি।
- আমরা ৪ দিন এ ৮০০ কিমি রাইড করেছি। বাইক এর ভাড়া ১৩০০-১৬০০রুপি প্রতিদিন এর জন্য।
বাইক ছিলো রয়্যাল এনফিল্ড বুলেট ৫০০ সিসি
এখন রুট। শহরে প্রথমে নেমে ২/৩ ঘন্টা রেস্ট নিয়ে, শহরে সাইট সিন করে বাইক ভাড়া নিয়ে, রাতেই বাইক নিয়ে আসতে হবে।
তারপরের দিন সকালে আমরা জার্নি শুরু করি।
২টা রুট। হয় সিটি থেকে চাংলা পাস হয়ে সব জায়গা ঘুরে খারদুংলা দেয়া শহরে ফেরত আসা। অথবা উল্টাটা। আমরা চাংলা পাস এর রুট দিয়ে গিয়েছি।
জাওয়ার পথে ''রাঞ্চো স্কুল'' পাবেন, অনেক বোদ্ধ মন্দিন পাবেন।
চাংলা পাস World's 2nd Highest Motorable Road. সি লেভেল থেকে ১৭০০০++ ফিট উচু।
যেহেতু প্রথম দিন বাইক রাইড এর, চালাতে কস্ট হবে। ৭ হাজার ফিট উপরে উঠা হচ্ছে। ( সিটি ১০,০০০ফিট, আর চাংলা ১৭,০০০ফিট) কিছু বেশী বাজে রাস্তা আছে। কিন্তু অই খানে রেগুলার কাজ হয়, তাই, আজ যেই রাস্তা খারাপ তা কাল ভালো। পরশু আগে ভালো রাস্তা খারাপ।
চাংলা পাস ক্রস করে আমরা যাই আমাদের ফাস্ট ডেস্টিনেশন
''পেঙ্গন লেক'' সন্ধ্যা ৬টা বাজে।
ক্যাম্প এ নাইট স্টে, বাজে রকম এর ঠাণ্ডা। কিন্তু লেইক এর ভিউ এর কাছে কিচ্ছু না।
পরের দিন আমরা ১১ টায় বের হই আমাদের সেকেন্ড ডেস্টিনেশন।
নুব্রা ভ্যালীর জন্য।
ডিস্কিট হয়ে, হুন্দার। ডিস্কিট / হুন্দার এ নাইট স্টে। আমরা হুন্দার এ ছিলাম।
পরের দিন আমাদের পরের ডেস্টিনেশন ট্রুক্টুক ভিলেজ। ইন্ডিয়া পাকিস্তান এর বর্ডার এর শেষ গ্রাম। এই গ্রাম ইন্ডিয়া ১৯৭১ সালে দখল করে পাকিস্তান থেকে। এখন ও ইন্ডিয়ার দখলে।
পাহার এর উপর গ্রাম। বেশী সুন্দর। অই পুরা গ্রাম টাই এখন হোটেল। অই খানে ঘুরে আমরা আবার আমাদের হুন্দার এর হোটেল এ ব্যাক করি।
পরের দিন সকাল এ নুব্রা ভ্যালি ঘুরে, আবার শহরে ব্যাক করার জার্নি শুরু।
খারাদুংলা পাস হয়ে যেতে হবে।
খারদুংলা World's HIGHEST Motorable Road (Achievement Unlocked 📷:3 ) 18,000++ ফিট উচু সি লেভেল থেকে।
লেহ শহ্রে আপনি সুস্থ ছিলেন, তাই এই খানে থাকবেন তা না। খারদুনলাতে আপনি বরফ পাবেন। অই খানে ১০/১৫ মিনিট এর বেশী থাকা উচিত না। আর্মি মেডিকেল ক্যাম্প আছে। শরীর খারাপ হয়ে গেলে, ফ্রি আক্কিজেন এর ব্যাবস্থা আছে।
কপাল খারাপ থাকলে স্নো ফল হবে। তখন বাইক চালানো লাইফ রিক্স
খারদুংলা থেকে শহর মাত্র ৩০ কিমি। কিন্তু ৩০ কিমি এ আপনি ৮,০০০ ফিট নাম্বেন।
শহরে আসবেন, বাইক ফেরত দিবেন, জার্নি শেষ বাইক এর।
- বাইক এ ক্যারিয়া লাগায়, ক্যান করে তেল নিবেন।
- পসিবল হলে, একা রাইড করেবন।
- হোটেল ব্যাগ রেখে জার্নি শুরু করবেন। কোন চিন্তা নাই। এর এলাকার মানুষ খুবই ভালো, চুরির অভ্যাস নাই। রাস্তায় যে কোন প্রব্লেম এ সবাই হেল্প করবেন।
- বাইক এর পায়ের ব্রেক ১০০ কিমি রাইড করলে থাকে না। টাইট দিয়ে নেবেন। নেয়ার সময় টুল বক্স চেক করবেন, ১৪ নাম্বার রেঞ্জ আছে কিনা। লাগবে ১৪, থাকে ১০,১২।
- ১ ডজন ভ্যাস্লিন কিনবেন।
- গ্লাপ্স মাস্ট।
- ফাস্ট অ্যাইড রাখতে পারেন।
- রাইড করা একটা চ্যালেঞ্জ এখানে। ছবিতে বুঝবেন না, কারন খারাপ রাস্তায় ছবি তুলা যায় না।
- প্রতিদিন রাতে পেইন কিলার খেয়ে ঘুমাবেন।
- এবং চালানোর সময় ভুলেও খাঁদ এর দিকে তাকাবেন না। মাথা চক্কর দিবে কনফার্ম।
তবে, অ্যাট দা এন্ড যেই ভিউ পাবেন, তা আপনি আর কোথাও পাবেন না।
আর এতো, কস্ট নিতে না চাইলে, গাড়ী ভাড়া করবেন। গাড়ী তে ঘুরবেন। 🙂
লাদাক পর্যন্ত যে যেই ভাবে আসে, বাই এয়ার/ রোড। ওইটা আর লিখলাম না।
লাদাক এর ডিটেইলস খরচ দিচ্ছি।
ডে ১ - আমরা ৬ জন। ২ রুম। ভাড়া ৩২০০রুপি
WiFi বলবে আছে, কিন্তু অফ সিজনে নেট এর বিল দেয় না, তাই নেট থাকে না, টিভিতেও এক।
খাবার হচ্ছে ম্যাগি, হোটেল এ ২০ রুপি করে মাসালা ম্যাগি বানায় দিচ্ছে। আমাদের পুরা ট্রিপ এ বেষ্ট ম্যাগি এইটাই ছিলো! সকাল দুপুর ম্যাগির উপর ছিলাম, আর চা কফি। প্রথম দিন আমরা ৩০০-৪০০রুপির পানিই কিনছি
রাতে, মার্কেট থেকে ফ্রাইড রাইস, আর চিকেন শরমা কিনে আনছিলাম। ৮০ রুপি করে রাইস, আর ১০০ রুপি করে শরমা।
বাকি লাদাক ট্রিপ এ আর মাংস খাই নাই। একদম ভেজ হয়ে গেছিলাম।
ডে ১ এর খরচ - হোটেল ৩২০০ রুপি, খাবার ১৭০০ রুপি।
ট্রান্সপোর্ট খরচ নাই, কারন হোটেল থেকে হেটে মার্কেট, আর ব্যাক করছি বাইক এ।
পার পারসন ৮০০ রুপি
ডে ২ - পেঙ্গন লেক এ ক্যাম্প এ পুরা প্যাকেজ ছিলো, রাতের খাবার ও সকাল এর ব্রেকফাস্ট সহ ১০০০- ১৫০০ রুপি পার পারসন। খাবার সব ভেজ। কোন মাংস হবে না।
ডে ৩ - হুন্দার এ হোটেল এ খরচ, পার পারসন ৮০০ রুপি। ডিনার ও ব্রেকফাসট সহ।
ডে ৪ - সকালে হোটেল এর ব্রেকফাস্ট খেয়ে বের হই, আর সারা দিন শুধু ম্যাগী খাই রাস্তায়। আর পানি। ১০০ রুপির মত খাওয়া।
ডে ৫ - আবার প্রথম দিন এর মত।
বাইক এর তেল লাগছে ৫০ লিটার এর মত।
লাদাক এ জাওয়া আসা বাদে, ৩৫ হাজার টাকায় হয়ে যাবে .
লাদাখ এ আমরা বাই এয়ার এ গিয়েছি! এয়ারপোর্ট টা ইন্ডিয়ান আর্মির, তাই প্রথমেই বলে দিলাম, এয়ারপোর্ট এ ছবি তোলা নিষেধ। আর একটা খুব ইম্প্রোটেন্ট ব্যপার। লাদাক এয়ারপোর্ট এ ব্যাগ চেইক ইন এ দেয়ার পরেও, ব্যাগেজ আবার সিলেক্ট করে দেয়া আসতে হয়, না হলে ব্যাগ প্লেন এ উঠবে না।
এয়ারপোর্ট এ নামার পরেই অ্যানাউসমেন্ট হতে থাকবে, যে আপনি সি লেভেল থেকে ১০,০০০ফিট উপরে আছেন। তাই শরীরে অক্সিজেন এর অভাব হয়।
-
দিনের বেলা ঘুমানো যাবে না
- বেশী করে পানি খেতে হবে, পানি শরীরে অক্সিজেন এর ঘাটতি পূরণ করে।
- সকাল ও রাতে ডায়ামক্স ওষুধ খেতে হবে। ফার্মেসি তে বললেই হবে।
- যদি নামার পরেই কারো, মাথা ঘুরায় ও বমি হয় তাহলে সাথে সাথে হাসপাতালে যেতে হবে। যে কোন টেক্সি কে বল্লে নিয়ে যাবে। হাস্পাতে খরচ নাই। ৫রুপি নিবে। ভয়ের কিছু নাই। ২ ঘন্টা পর চাংগা একদম।
এই বার লাদাক এর বাইক এর ট্রিপ এর ডিটেইলস।
- লাদাক এ ঘুরতে পারমিট লাগে, যেখান থেকে বাইক নিবেন, ওদের বললেই করে দিবে। একটা মেইন কপি ও ৪/৫টা ফটোকপি অরা করে দিবে। খরচ যত গুলা জায়গা জাবেন তার উপর। ৭০০-১০০০রুপি।
- আমরা ৪ দিন এ ৮০০ কিমি রাইড করেছি। বাইক এর ভাড়া ১৩০০-১৬০০রুপি প্রতিদিন এর জন্য।
বাইক ছিলো রয়্যাল এনফিল্ড বুলেট ৫০০ সিসি
এখন রুট। শহরে প্রথমে নেমে ২/৩ ঘন্টা রেস্ট নিয়ে, শহরে সাইট সিন করে বাইক ভাড়া নিয়ে, রাতেই বাইক নিয়ে আসতে হবে।
তারপরের দিন সকালে আমরা জার্নি শুরু করি।
২টা রুট। হয় সিটি থেকে চাংলা পাস হয়ে সব জায়গা ঘুরে খারদুংলা দেয়া শহরে ফেরত আসা। অথবা উল্টাটা। আমরা চাংলা পাস এর রুট দিয়ে গিয়েছি।
জাওয়ার পথে ''রাঞ্চো স্কুল'' পাবেন, অনেক বোদ্ধ মন্দিন পাবেন।
চাংলা পাস World's 2nd Highest Motorable Road. সি লেভেল থেকে ১৭০০০++ ফিট উচু।
যেহেতু প্রথম দিন বাইক রাইড এর, চালাতে কস্ট হবে। ৭ হাজার ফিট উপরে উঠা হচ্ছে। ( সিটি ১০,০০০ফিট, আর চাংলা ১৭,০০০ফিট) কিছু বেশী বাজে রাস্তা আছে। কিন্তু অই খানে রেগুলার কাজ হয়, তাই, আজ যেই রাস্তা খারাপ তা কাল ভালো। পরশু আগে ভালো রাস্তা খারাপ।
চাংলা পাস ক্রস করে আমরা যাই আমাদের ফাস্ট ডেস্টিনেশন
''পেঙ্গন লেক'' সন্ধ্যা ৬টা বাজে।
ক্যাম্প এ নাইট স্টে, বাজে রকম এর ঠাণ্ডা। কিন্তু লেইক এর ভিউ এর কাছে কিচ্ছু না।
পরের দিন আমরা ১১ টায় বের হই আমাদের সেকেন্ড ডেস্টিনেশন।
নুব্রা ভ্যালীর জন্য।
ডিস্কিট হয়ে, হুন্দার। ডিস্কিট / হুন্দার এ নাইট স্টে। আমরা হুন্দার এ ছিলাম।
পরের দিন আমাদের পরের ডেস্টিনেশন ট্রুক্টুক ভিলেজ। ইন্ডিয়া পাকিস্তান এর বর্ডার এর শেষ গ্রাম। এই গ্রাম ইন্ডিয়া ১৯৭১ সালে দখল করে পাকিস্তান থেকে। এখন ও ইন্ডিয়ার দখলে।
পাহার এর উপর গ্রাম। বেশী সুন্দর। অই পুরা গ্রাম টাই এখন হোটেল। অই খানে ঘুরে আমরা আবার আমাদের হুন্দার এর হোটেল এ ব্যাক করি।
পরের দিন সকাল এ নুব্রা ভ্যালি ঘুরে, আবার শহরে ব্যাক করার জার্নি শুরু।
খারাদুংলা পাস হয়ে যেতে হবে।
খারদুংলা World's HIGHEST Motorable Road (Achievement Unlocked 📷:3 ) 18,000++ ফিট উচু সি লেভেল থেকে।
লেহ শহ্রে আপনি সুস্থ ছিলেন, তাই এই খানে থাকবেন তা না। খারদুনলাতে আপনি বরফ পাবেন। অই খানে ১০/১৫ মিনিট এর বেশী থাকা উচিত না। আর্মি মেডিকেল ক্যাম্প আছে। শরীর খারাপ হয়ে গেলে, ফ্রি আক্কিজেন এর ব্যাবস্থা আছে।
কপাল খারাপ থাকলে স্নো ফল হবে। তখন বাইক চালানো লাইফ রিক্স
খারদুংলা থেকে শহর মাত্র ৩০ কিমি। কিন্তু ৩০ কিমি এ আপনি ৮,০০০ ফিট নাম্বেন।
শহরে আসবেন, বাইক ফেরত দিবেন, জার্নি শেষ বাইক এর।
- বাইক এ ক্যারিয়া লাগায়, ক্যান করে তেল নিবেন।
- পসিবল হলে, একা রাইড করেবন।
- হোটেল ব্যাগ রেখে জার্নি শুরু করবেন। কোন চিন্তা নাই। এর এলাকার মানুষ খুবই ভালো, চুরির অভ্যাস নাই। রাস্তায় যে কোন প্রব্লেম এ সবাই হেল্প করবেন।
- বাইক এর পায়ের ব্রেক ১০০ কিমি রাইড করলে থাকে না। টাইট দিয়ে নেবেন। নেয়ার সময় টুল বক্স চেক করবেন, ১৪ নাম্বার রেঞ্জ আছে কিনা। লাগবে ১৪, থাকে ১০,১২।
- ১ ডজন ভ্যাস্লিন কিনবেন।
- গ্লাপ্স মাস্ট।
- ফাস্ট অ্যাইড রাখতে পারেন।
- রাইড করা একটা চ্যালেঞ্জ এখানে। ছবিতে বুঝবেন না, কারন খারাপ রাস্তায় ছবি তুলা যায় না।
- প্রতিদিন রাতে পেইন কিলার খেয়ে ঘুমাবেন।
- এবং চালানোর সময় ভুলেও খাঁদ এর দিকে তাকাবেন না। মাথা চক্কর দিবে কনফার্ম।
তবে, অ্যাট দা এন্ড যেই ভিউ পাবেন, তা আপনি আর কোথাও পাবেন না।
আর এতো, কস্ট নিতে না চাইলে, গাড়ী ভাড়া করবেন। গাড়ী তে ঘুরবেন। 🙂
লাদাক পর্যন্ত যে যেই ভাবে আসে, বাই এয়ার/ রোড। ওইটা আর লিখলাম না।
লাদাক এর ডিটেইলস খরচ দিচ্ছি।
ডে ১ - আমরা ৬ জন। ২ রুম। ভাড়া ৩২০০রুপি
WiFi বলবে আছে, কিন্তু অফ সিজনে নেট এর বিল দেয় না, তাই নেট থাকে না, টিভিতেও এক।
খাবার হচ্ছে ম্যাগি, হোটেল এ ২০ রুপি করে মাসালা ম্যাগি বানায় দিচ্ছে। আমাদের পুরা ট্রিপ এ বেষ্ট ম্যাগি এইটাই ছিলো! সকাল দুপুর ম্যাগির উপর ছিলাম, আর চা কফি। প্রথম দিন আমরা ৩০০-৪০০রুপির পানিই কিনছি
রাতে, মার্কেট থেকে ফ্রাইড রাইস, আর চিকেন শরমা কিনে আনছিলাম। ৮০ রুপি করে রাইস, আর ১০০ রুপি করে শরমা।
বাকি লাদাক ট্রিপ এ আর মাংস খাই নাই। একদম ভেজ হয়ে গেছিলাম।
ডে ১ এর খরচ - হোটেল ৩২০০ রুপি, খাবার ১৭০০ রুপি।
ট্রান্সপোর্ট খরচ নাই, কারন হোটেল থেকে হেটে মার্কেট, আর ব্যাক করছি বাইক এ।
পার পারসন ৮০০ রুপি
ডে ২ - পেঙ্গন লেক এ ক্যাম্প এ পুরা প্যাকেজ ছিলো, রাতের খাবার ও সকাল এর ব্রেকফাস্ট সহ ১০০০- ১৫০০ রুপি পার পারসন। খাবার সব ভেজ। কোন মাংস হবে না।
ডে ৩ - হুন্দার এ হোটেল এ খরচ, পার পারসন ৮০০ রুপি। ডিনার ও ব্রেকফাসট সহ।
ডে ৪ - সকালে হোটেল এর ব্রেকফাস্ট খেয়ে বের হই, আর সারা দিন শুধু ম্যাগী খাই রাস্তায়। আর পানি। ১০০ রুপির মত খাওয়া।
ডে ৫ - আবার প্রথম দিন এর মত।
বাইক এর তেল লাগছে ৫০ লিটার এর মত।
লাদাক এ জাওয়া আসা বাদে, ৩৫ হাজার টাকায় হয়ে যাবে .

0 Comments